নারী পুরুষ সমান অধিকার। এটা তো সাম্যের কথা । কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তাদের দাবি নিয়ে। তারা বলে তারা নাকি পুরুষের তুলনায় কোন দিক থেকে পিছিয়ে নেই। আসলে আপাত দৃষ্টিতে মানতে চেষ্টা করলাম। হ্যা তারা আবার কোন কোণ দিক থেকে পুরুষদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে। হাইরে গাভীর দল এটা বুঝে না। একজন মহিলাকে পুরুষ কোথায় রাখে?
নারী তো মায়ের জাতি। সে তো মমতাময়ি মা।
আসলে বিংশ শতাব্দিতে এসে আমাদের দেশের নারি সমাজ প্রভাবিত হচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে।যার ফলে আজকের এ নারী আন্দোলন। আপনাদের চাকুরিসহ বিভিন্ন ক্ষাতে সমান অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে আমিও আছি। কিন্তু কোটা পদ্ধতি কি একটু বাড়াবাড়ি নয় ? আপনাদের অপারগতা কি না তা বোঝার ক্ষমতা আছে? এটা লজ্জাজনক যে আপনাদের এত শত কোটা দেওয়া সত্যেও প্রতি বছর ফাকা থেকে যায় অনেক কোটা । ছি লজ্জা !!!!
নারী তো পিছিয়ে নাই।
আসলে নারী বহুরুপি । কখনো মা, কখনো মেয়ে, কখনো বৌ ইত্যাদি। মা মমতাময়ি , অপরদিকে প্রেমিকা ছলনাময়ি , বৌ মহিয়সি। তাহলে ভাই সমাজের দোষ কি?
কেউ বলতে পারবেন ? ইভটিজিং কেন হয়? একটা শালিন পোষাক পরিহিত মেয়েকে কেউ টিজ করতে পারে না । যদি সে উদ্ভট হয় তো আলাদা ব্যাপার। কারন ভাল খারাপের সংমিশ্রণে সমাজ।
মেয়েদের অশালিন পোষাক ইভটিজিং এর জন্য দায়ী ।
তো নতুন প্রজন্মের মেয়ে দের আধুনিকতার উদহারন স্বরুপ বলছি পারেন তো ছেলেদের মত দাঁড়িয়ে পেছাব করে দেখাবেন। সেটা যদি ঘরের জানালা দিয়ে করেন তাহলে তো কথাই নাই। এত পারেন তো? রাস্তা ঘাটে যেয়ে সাহায্যের আবেদন স্বরুপ কেন বলেন '' ভাই মেয়ে মানুষ একটু সাহায্য করবেন ?''
কিন্তু মাদার তেরেসা, ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামালের পরে আর তেমন কারো সংগ্রামীচেতা মানসিকতা দেখেনাই কেউ।
আসলে হবে বা কিভাবে? এখন কার আপুরা দিনের অধিকাংশ সময় কাটান তো রুপ লাবণ্য ধরে রাখতে। সমাজ সেবাই আসেনা কারণ পয়সা যা পাই তা তো বিউটি শিয়ান্দের দিয়ে আসেন। আর তারা তা দেন বিভিন্ন ক্ষাতে।
হাইরে খালি ফাল্পারে আমরা করব জয় , মাঝ রাতে উইঠা দেখবা বউ পাশে নাই।
বেশি কিছু লিখলে আবার কঈট
বেশি কিছু লিখলে আবার বলতে পারে আমি কুসংস্কারচ্ছন্ন। রাজাকার, ১৯৭১ উ উ উ উউউ
বলা তো যাই দেশে এখন সবই হইয়।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন